বিজ্ঞানময় কুরআন – পর্ব দুই তিন :: মধু হলো সব রোগ নিরাময়ের ঔষধ

বিজ্ঞানময় কুরআন : পর্ব দুই তিন

মধু হলো সব রোগ নিরাময়ের ঔষধ

মুহাম্মদ ইস্রাফিল হোসাইন

আল্লাহ তায়ালা বলেন-

وَ اَوْحٰی رَبُّكَ اِلَی النَّحْلِ اَنِ اتَّخِذِیْ مِنَ الْجِبَالِ بُیُوْتًا وَّ مِنَ الشَّجَرِ وَ مِمَّا یَعْرِشُوْنَ ﴿ۙ۶۸﴾ ثُمَّ  کُلِیْ مِنْ کُلِّ الثَّمَرٰتِ فَاسْلُكِیْ سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا ؕ یَخْرُجُ مِنْۢ بُطُوْنِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ اَلْوَانُہٗ  فِیْهِ شِفَآءٌ لِّلنَّاسِ ؕ اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیَۃً   لِّقَوْمٍ  یَّتَفَكَرُوْنَ ﴿۶۹﴾

আর তোমার রব মৌমাছিকে ইংগিতে জানিয়েছে যে, ‘তুমি পাহাড়ে ও গাছে এবং তারা যে গৃহ নির্মাণ করে তাতে নিবাস বানাও।’ অতঃপর তুমি প্রত্যেক ফল থেকে আহার কর এবং তুমি তোমার রবের সহজ পথে চল। তার পেট থেকে এমন পানীয় বের হয়, যার রং ভিন্ন ভিন্ন, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগ নিরাময়। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে। সুরা নাহল : ৬৮-৬৯

পবিত্র কুরআনের এ আয়াত দুটিতে মহান আল্লাহ মৌমাছি এবং মধুর যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা একদিকে যেমন আধ্যাত্মিক পথনির্দেশনা, অন্যদিকে আধুনিক বিজ্ঞানের জন্য এক বিস্ময়কর গবেষণার উৎস। প্রকৃতির ক্ষুদ্রতম কিন্তু অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এক প্রাণী হলো মৌমাছি। মহান আল্লাহ এই প্রাণীর ওপর তাঁর কুদরতের এমন এক নিদর্শন রেখেছেন, যা মানবজাতির রোগ নিরাময়ের অন্যতম বড় হাতিয়ার। এই আয়াত দুটিতে মধুর যে বিশেষত্বের কথা বলা হয়েছে, তা বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

চিত্র : মধুর চাকসহ মধু ও মধুর উপদানসমূহ।

১. ‘শিফাউন’ (شِفَاءٌ) শব্দের গভীর বিশ্লেষণ

আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “ফিহি শিফাউন লিন-নাস” (فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ) অর্থাৎ “এতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগ নিরাময়।”

কুরআনের শব্দচয়ন অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট। এখানে আল্লাহ ‘দাওয়া’ (ঔষধ) শব্দটি ব্যবহার না করে ‘শিফা’ (নিরাময়) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ঔষধ মানেই রোগমুক্তি নয়; অনেক ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে অথবা তা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কাজ করে না। কিন্তু ‘শিফা’ শব্দের অর্থ হলো রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা। আল্লাহ মধুকে কেবল একটি ভেষজ পণ্য হিসেবে নয়, বরং একটি কার্যকর নিরাময়কারী শক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

‘শিফা’ শব্দটি অনির্দিষ্ট (Indefinite noun) হিসেবে আসায় এটি নির্দেশ করে যে, মধু কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগের জন্য নয়, বরং এটি বহুমুখী রোগের নিরাময়ক। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং প্রাকৃতিকভাবে সুস্থতা দান করে।

২. আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে মধুর গুণাবলি :

আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণায় মধুর উপাদানগুলো বিশ্লেষণ করলে কুরআনের দাবির সত্যতা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। মধুতে প্রায় ১৮০টিরও বেশি রাসায়নিক উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে।

পুষ্টি উপাদান: মধুতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ, সুক্রোজ এবং মাল্টোজ। এগুলো সরাসরি রক্তে মিশে শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি যোগায়।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: মধুতে উচ্চমাত্রার পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। এগুলো শরীরের কোষগুলোকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে, যা ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক: মধুর অন্যতম বড় গুণ হলো এর উচ্চ ঘনত্ব এবং কম পিএইচ (pH) মান। এর ফলে এতে কোনো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মাতে পারে না। এতে থাকা ‘হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড’ সরাসরি জীবাণু ধ্বংস করতে সক্ষম।

ভিটামিন ও খনিজ: মধুতে বি-কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি এবং খনিজ পদার্থের মধ্যে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এই উপাদানগুলো রক্তাল্পতা দূর করতে এবং হাড়ের গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

চিত্র : মধুর রাসায়নিক উপদান

৩. মধু কীভাবে ঔষধের মতো কাজ করে?

আধুনিক চিকিৎসা ও পুষ্টিবিজ্ঞান মধুর অসংখ্য গুণাগুণ স্বীকার করেছে। মধু একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাদ্য। এতে রয়েছে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন (B-complex, C), খনিজ (পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম), এনজাইম ও ফেনোলিক যৌগ।

১. হজম ও পাকস্থলী : মধুতে থাকা এনজাইমগুলো জটিল শর্করা ভাঙতে সাহায্য করে হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। এটি পাকস্থলীর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া H. Pylori দমন করে আলসার ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমায়।

২. শ্বসনতন্ত্রের সুরক্ষা : মধু প্রাকৃতিক উপায়ে শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়। এটি গলায় একটি প্রলেপ তৈরি করে খুসখুসে কাশি, সর্দি এবং টনসিলের ব্যথায় দ্রুত আরাম দেয়।

৩. ক্ষত নিরাময় ও রোগ প্রতিরোধ : মধুর উচ্চ ঘনত্ব এবং কম পিএইচ (pH) মান ক্ষতস্থানকে জীবাণুমুক্ত রাখে, যা টিস্যু পুনর্গঠনে সহায়ক। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের শ্বেত রক্তকণিকা সক্রিয় করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৪. হৃদস্বাস্থ্য ও শক্তি : এটি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের আদর্শ মিশ্রণ হওয়ায় এটি শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য একটি দ্রুত শোষিত, নিরাপদ এবং উচ্চমাত্রার প্রাকৃতিক শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।

৫. ক্ষত নিরাময় ও সংক্রমণ প্রতিরোধ : মধুর একটি বিশেষ গুণ হলো এটি ‘হাইড্রোফিলিক’, যা ক্ষতস্থান থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাধা দেয়। এতে থাকা এনজাইম সামান্য পরিমাণে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড তৈরি করে, যা শক্তিশালী অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। ফলে পোড়া ক্ষত বা গভীর ঘা (যেমন ডায়াবেটিক আলসার) দ্রুত শুকায় এবং নতুন টিস্যু গঠনে সহায়তা করে।

৬. হৃদরোগ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: মধুতে থাকা পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড রক্তনালীকে নমনীয় রাখে এবং ধমনীর প্রদাহ কমায়। এটি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড এবং ক্ষতিকর এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।

৭. শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য সহজপাচ্য শক্তি : মধুর শর্করা (গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ) সরাসরি রক্তে মিশে যায়, তাই এটি হজম করতে পাকস্থলীকে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয় না। এটি শিশুদের মেধা বিকাশে এবং বৃদ্ধদের পেশির দুর্বলতা কাটাতে তাৎক্ষণিক শক্তির যোগান দেয়। এর প্রাকৃতিক এনজাইমগুলো বার্ধক্যজনিত হজমের সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর।

চিত্র : মানব জীবনে জন্য মধুর অসাধারণ উপকারি ভুমিকা।

বিশেষ করে Raw Honey বা অপরিশোধিত মধুতে এই গুণাগুণ বেশি কার্যকরভাবে বিদ্যমান থাকে। একটি জরুরি সতর্কতা: মধু অত্যন্ত উপকারী হলেও ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়। কারণ এতে ‘বটুলিজম’ নামক এক ধরনের বিরল ব্যাকটেরিয়ার রেণু থাকতে পারে, যা ছোট শিশুদের অপরিপক্ক পরিপাকতন্ত্র সহ্য করতে পারে না।

৪. কুরআনের অলৌকিকতা : আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে, যখন আধুনিক বিজ্ঞান, ল্যাবরেটরি বা মাইক্রোস্কোপের অস্তিত্বই ছিল না— তখন কুরআন মধুর মধ্যে রোগ নিরাময়ের কথা ঘোষণা করেছে। আজ বিজ্ঞান গবেষণার মাধ্যমে সেই সত্যকে একের পর এক প্রমাণ করছে। এটি কুরআনের অলৌকিকতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। আল্লাহ তায়ালা আয়াতের শেষাংশে বলে, নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে।” অর্থাৎ কুরআন মানুষকে অন্ধ বিশ্বাস নয়; বরং চিন্তা, গবেষণা ও উপলব্ধির দিকে আহ্বান জানায়।

মৌমাছির জেন্ডার বা লিঙ্গ:

কর্মী মৌমাছিরা সকলেই স্ত্রীলিঙ্গ

মৌমাছি ও আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর সমন্বয়। পবিত্র কুরআন কেবল একটি ধর্মগ্রন্থ নয়, বরং এটি জ্ঞান ও বিজ্ঞানের এক মহাসমুদ্র। আজ থেকে প্রায় ১৪৫০ বছর আগে যখন আধুনিক বিজ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না, তখন মরুভূমির বুকে অবতীর্ণ এই গ্রন্থে মৌমাছি সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছে যা বর্তমান যুগের বিজ্ঞানীদেরও অবাক করে দেয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

وَ اَوْحٰی رَبُّكَ اِلَی النَّحْلِ اَنِ اتَّخِذِیْ مِنَ الْجِبَالِ بُیُوْتًا وَّ مِنَ الشَّجَرِ وَ مِمَّا یَعْرِشُوْنَ ﴿ۙ۶۸﴾ ثُمَّ  کُلِیْ مِنْ کُلِّ الثَّمَرٰتِ فَاسْلُكِیْ سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا ؕ یَخْرُجُ مِنْۢ بُطُوْنِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ اَلْوَانُہٗ  فِیْهِ شِفَآءٌ لِّلنَّاسِ ؕ اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیَۃً   لِّقَوْمٍ  یَّتَفَكَرُوْنَ ﴿۶۹﴾

আর তোমার রব মৌমাছিকে ইংগিতে জানিয়েছে যে, ‘তুমি পাহাড়ে ও গাছে এবং তারা যে গৃহ নির্মাণ করে তাতে নিবাস বানাও।’ অতঃপর তুমি প্রত্যেক ফল থেকে আহার কর এবং তুমি তোমার রবের সহজ পথে চল। তার পেট থেকে এমন পানীয় বের হয়, যার রং ভিন্ন ভিন্ন, যাতে রয়েছে মানুষের জন্য রোগ নিরাময়। নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে সে কওমের জন্য, যারা চিন্তা করে। সুরা নাহল : ৬৮-৬৯

আরবি ভাষায় ক্রিয়াপদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ ও পুংলিঙ্গের সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উপরের আয়াতে আল্লাহ তাআলা মৌমাছিকে যখন ঘর বানানোর বা মধু সংগ্রহের নির্দেশ দিচ্ছেন, তখন সেখানে ‘ইত্তাখিজি’ (اتَّخِذِي), ‘কুলি’ (كُلِي) এবং ‘ফাসলুকি’ (فَاسْلُكِي) শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন। আরবি ব্যাকরণ অনুযায়ী এই শব্দগুলো কেবল স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক প্রাণিবিজ্ঞান আজ প্রমাণ করেছে যে, মৌচাক নির্মাণ, ফুলের রস সংগ্রহ এবং মধু তৈরির যাবতীয় কাজ কেবল স্ত্রী বা কর্মী মৌমাছিরাই করে থাকে। পুরুষ মৌমাছিরা (Drones) মধু তৈরি করে না। আধুনিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের আগে এই সূক্ষ্ম পার্থক্য জানা মানুষের পক্ষে অসম্ভব ছিল।

চিত্র :  মৌমাছি।

১৬ সংখ্যা ও ক্রোমোজোমের অলৌকিক মিল

মৌমাছি সম্পর্কিত সূরাটির নাম ‘আন-নাহল’, যা কুরআনের ১৬ নম্বর সূরা। মজার ব্যাপার হলো, আধুনিক বিজ্ঞান বলছে স্ত্রী মৌমাছির ক্রোমোজোম সংখ্যা ১৬ জোড়া (মোট ৩২টি)। অন্যদিকে পুরুষ মৌমাছি জন্মায় অনিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে, যাদের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাত্র ১৬টি। অর্থাৎ পুরুষ মৌমাছির কোনো পিতা নেই। এই ১৬ সংখ্যার গুরুত্ব কুরআনেও প্রতিফলিত হয়েছে। যে আয়াতে (১৬:৬৮) মৌমাছিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেখানে আরবি শব্দের সংখ্যা ১৬টি এবং সেই শব্দগুলো গঠনে ব্যবহৃত অনন্য অক্ষরের সংখ্যাও ১৬টি। এটি কি কেবলই কাকতালীয়, নাকি কোনো মহান সত্তার সুনিপুণ পরিকল্পনা?

চিত্র : মৌমাছির প্রজনন চিত্র।

পরিশেষে বলা যায়, মৌমাছির জীবনচক্র, তাদের বংশবিস্তার এবং লিঙ্গভিত্তিক কাজের বিভাজন নিয়ে কুরআনের বর্ণনা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে হুবহু মিলে যাওয়া এক জীবন্ত মুজিজা। এটি প্রমাণ করে যে, কুরআন কোনো মানুষের রচনা নয়, বরং এটি সেই মহান স্রষ্টার বাণী যিনি মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রতম পতঙ্গকেও নিখুঁত নিয়মে পরিচালনা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *