নাজাত প্রপ্ত দলের বৈশিষ্ট্য-০৫ ::  ইবাদতের গুরুত্ব প্রদান ও ভারসাম্য রক্ষা করে

মুহাম্মদ ইস্রাফিল হোসাইন

ইবাদত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা ইসলামের মূল ভিত্তির অন্যতম। এটি মানুষের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং আল্লাহর প্রতি তাঁর বান্দার আনুগত্য, ভক্তি, এবং ভালোবাসার প্রকাশ। ইবাদত শুধু আল্লাহর আদেশ নয়, এটি মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্যকে উপলব্ধি করি। তাই আমাদের উচিত ইবাদতের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া এবং আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলা। ইবাদতের গুরুত্ব বোঝাতে কুরআন ও হাদিসে বিভিন্ন স্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

(১) ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য

আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন-

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ

অর্থ: “আমি জ্বিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি কেবল আমার ইবাদতের জন্য। সূরা যারিয়াত : ৫৬

(২) ইবাদত হৃদয়ের প্রশান্তি আনে

আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন-

الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

অর্থ: “যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের অন্তর শান্ত হয় আল্লাহর স্মরণে। শুনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর শান্তি পায়। সূরা রাদ : ২৮

৩. ইবাদত পরকালের সাফল্যের পথ

আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন-

قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ

অর্থ: সে সফলকাম হয়েছে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে এবং তার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করেছে ও সালাত আদায় করেছে। সূরা আলা : ১৪-১৫

৪. ইবাদত মানুষকে পাপ থেকে রক্ষা করে

আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন-

إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ تَنْهَىٰ عَنِ ٱلْفَحْشَآءِ وَٱلْمُنكَرِ ۗ وَلَذِكْرُ ٱللَّهِ أَكْبَرُ ۗ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ

অর্থ: “নিশ্চয় সালাত অশ্লীলতা ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখে। এবং আল্লাহর স্মরণ অবশ্যই সবচেয়ে বড় জিনিস। আর তোমরা যা করো, আল্লাহ তা জানেন। সূরা আনকাবুত : ৪৫

৫. আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী

মুয়াজ ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কোন এক ভ্রমণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। একদিন যেতে যেতে আমি তার নিকটবর্তী হলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন একটি কাজ সম্পর্কে আমাকে জানিয়ে দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে এবং জাহান্নাম হতে দূরে রাখবে। তিনি বললেন, তুমি তো আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করেছো। তবে সেই ব্যক্তির জন্য এ ব্যাপারটা অতি সহজ যে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ তা’আলা তা সহজ করে দেন।

তুমি আল্লাহ তা’আলার ইবাদাত করবে, কোন কিছুকে তার সাথে শরীক করবে না, সালাত প্রতিষ্ঠা করবে, জাকাত দিবে, রামাযানের সিয়াম রাখবে এবং বাইতুল্লাহর হাজ্জ করবে। তিনি আরো বললেন, আমি কি তোমাকে কল্যাণের দরজাসমূহ সম্পর্কে বলে দিব না? রোযা হলো ঢালস্বরূপ, দান-খাইরাত গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, যেমনিভাবে পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয় এবং কোন ব্যক্তির মধ্যরাতের সালাত আদায় করা। তারপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন-

تَتَجَافٰی جُنُوۡبُہُمۡ عَنِ الۡمَضَاجِعِ یَدۡعُوۡنَ رَبَّہُمۡ خَوۡفًا وَّطَمَعًا ۫ وَّمِمَّا رَزَقۡنٰہُمۡ یُنۡفِقُوۡن.َ فَلَا تَعۡلَمُ نَفۡسٌ مَّاۤ اُخۡفِیَ لَہُمۡ مِّنۡ قُرَّۃِ اَعۡیُنٍ ۚ جَزَآءًۢ بِمَا کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ

তাদের দেহপাশ বিছানা থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং তারা তাদের প্রভুকে ডাকে আশায় ও ভয়ে এবং আমি তাদেরকে যে রিযক দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। কেউই জানে না তাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর কি লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কারস্বরূপ। (সূরা সিজদা:১৬-১৭)

তিনি আবার বলেন, আমি কি সমস্ত কাজের মূল, স্তম্ভ ও সর্বোচ্চ শিখর সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করবো না? আমি বললাম, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেন, সকল কাজের মূল হলো ইসলাম, স্তম্ভ হলো সালাত এবং সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ। তিনি আরো বললেন? আমি কি এসব কিছুর সার সম্পর্কে তোমাকে বলব না? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তার জিহ্বা ধরে বললেন, এটা সংযত রাখ। আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমরা যে কথাবার্তা বলি এগুলো সম্পর্কেও কি পাকড়াও করা (জবাবদিহি) হবে? তিনি বললেনঃ হে মুয়াজ! তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! মানুষকে শুধুমাত্র জিহবার উপার্জনের কারণেই অধঃমুখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। সুনানে তিরমিজি : ২৬১৬, সুনানে ইবনু মাজাহ : ৩৯৭৩

(৬) ইবাদতের প্রতিদান জান্নাত

আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন-

وَالَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ سَنُدۡخِلُہُمۡ جَنّٰتٍ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِہَا الۡاَنۡہٰرُ خٰلِدِیۡنَ فِیۡہَاۤ اَبَدًا ؕ وَعۡدَ اللّٰہِ حَقًّا ؕ وَمَنۡ اَصۡدَقُ مِنَ اللّٰہِ قِیۡلًا

আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, অচিরেই তাদেরকে আমি প্রবেশ করাব জান্নাতসমূহে, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে নহরসমূহ। সেখানে তারা হবে স্থায়ী। আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। আর কথায় আল্লাহ অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী কে? সুরা নিসা : ১২২

ইবাদত আল্লাহর নির্দেশিত একটি মৌলিক দায়িত্ব, যা শুধু ব্যক্তিগত পরিত্রাণের মাধ্যম নয়, বরং এটি সামাজিক শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির উপায়। আমাদের উচিত যথাযথভাবে ইবাদত করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সচেষ্ট থাকা। তাই আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতে অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হবে তারা আল্লাহ প্রদত্ত সীমার মাঝে থেকে যাথাযত তার হুকুম আহকাম মান্য করে তাকে খুসি করবে।

২। ইবাদত আদায় ও ভারসাম্য রক্ষা করা

ইবাদত আদায় ও ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরী। ইবাদত ও দৈনন্দিন জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর রাসুল (সা.) আমাদের এই ভারসাম্যের প্রতি দৃষ্টি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এই সম্পর্কি কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোকে উপস্থাপন করা হলো-

১. ইবাদতে মধ্যপন্থা অবলম্বন

মহান আল্লাহ বলেন-

وَابۡتَغِ فِیۡمَاۤ اٰتٰىکَ اللّٰہُ الدَّارَ الۡاٰخِرَۃَ وَلَا تَنۡسَ نَصِیۡبَکَ مِنَ الدُّنۡیَا وَاَحۡسِنۡ کَمَاۤ اَحۡسَنَ اللّٰہُ اِلَیۡکَ وَلَا تَبۡغِ الۡفَسَادَ فِی الۡاَرۡضِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَا یُحِبُّ الۡمُفۡسِدِیۡنَ

আর আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন তাতে তুমি আখিরাতের নিবাস অনুসন্ধান কর। তবে তুমি দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেয়ো না। তোমার প্রতি আল্লাহ যেরূপ অনুগ্রহ করেছেন তুমিও সেরূপ অনুগ্রহ কর। আর যমীনে ফাসাদ করতে চেয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ ফাসাদকারীদের ভালবাসেন না’। সূরা কাসাস : ৭৭

২. ইবাদতে কষ্ট না করে সহজ পথ অবলম্বন করা

আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

إِنَّ الدِّينَ يُسْرٌ، وَلَنْ يُشَادَّ الدِّينَ أَحَدٌ إِلاَّ غَلَبَهُ، فَسَدِّدُوا وَقَارِبُوا وَأَبْشِرُوا، وَاسْتَعِينُوا بِالْغَدْوَةِ وَالرَّوْحَةِ وَشَىْءٍ مِنَ الدُّلْجَةِ

নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ। দ্বীন নিয়ে যে বাড়াবাড়ি করে দ্বীন তার উপর জয়ী হয়। কাজেই তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন কর এবং (মধ্যপন্থার) নিকটে থাক, আশান্বিত থাক এবং সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতের কিছু অংশে (ইবাদাত সহযোগে) সাহায্য চাও। সহিহ বুখারি : ৩৯, ৫৬৭৩, ৬৪৬৩, ৭২৩৫

৩. ইবাদতে সীমা লঙ্ঘন না করা

মহান আল্লাহ বলেন-

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ

অর্থ : হে মুমিনগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য যা হালাল করেছেন, তা নিজেরা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না। সূরা মায়িদা : ৮৭

৪. পরিবার ও নিজের প্রতি দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ সংবাদ পৌঁছে যে, আমি একটানা সওম পালন করি এবং রাতভর সালাত আদায় করি। এরপর হয়ত তিনি আমার কাছে লোক পাঠালেন অথবা আমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করলাম। তিনি বললেন, আমি কি এ কথা ঠিক শুনিনি যে, তুমি সওম পালন করতে থাক আর ছাড় না এবং তুমি (রাতভর) সালাত আদায় করতে থাক আর ঘুমাও না? (আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) তুমি সওম পালন কর এবং মাঝে মাঝে তা ছেড়েও দাও। রাতে সালাত আদায় কর এবং নিদ্রাও যাও। কেননা তোমার উপর তোমার চোখের হক রয়েছে এবং তোমার নিজের শরীরের ও তোমার পরিবারের হক তোমার উপর আছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আমি এর চেয়ে বেশি শক্তি রাখি। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আঃ)-এর সিয়াম পালন কর। রাবী বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তা কিভাবে? তিনি বললেনঃ দাঊদ (আঃ) একদিন সওম পালন করতেন, একদিন ছেড়ে দিতেন এবং তিনি (শত্রুর) সম্মুখীন হলে পলায়ন করতেন না। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাকে এ শক্তি কে যোগাবে? বর্ণনাকারী ‘আত্বা (রহ.) বলেন, (এ হাদীসে) কিভাবে সব সময়ের সিয়ামের প্রসঙ্গ আসে সে কথাটুকু আমার মনে নেই (অবশ্য) এতটুকু মনে আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’বার এ কথাটি বলেছেন, সব সময়ের সওম কোন সওম নয়। সহিহ বুখারি : ১৯৭৭

৫ইবাদতে ভারসাম্য শেখানো তিন সাহাবির বিখ্যাত ঘটনা-

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিন জনের একটি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ’ইবাদাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের বাড়িতে আসল। যখন তাঁদেরকে এ সম্পর্কে জানানো হলো, তখন তারা ’ইবাদাতের পরিমাণ কম মনে করল এবং বলল, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আমাদের তুলনা হতে পারে না। কারণ, তাঁর আগের ও পরের সকল গুনাহ্ ক্ষমা ক’রে দেয়া হয়েছে। এমন সময় তাদের মধ্য থেকে একজন বলল, আমি সারা জীবন রাতভর সালাত আদায় করতে থাকব। অপর একজন বলল, আমি সব সময় সওম পালন করব এবং কক্ষনো বাদ দিব না।

অপরজন বলল, আমি নারী সংসর্গ ত্যাগ করব, কখনও বিয়ে করব না। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট এলেন এবং বললেন, ’’তোমরা কি ঐ সব লোক যারা এমন এমন কথাবার্তা বলেছ? আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহকে তোমাদের চেয়ে বেশি ভয় করি এবং তোমাদের চেয়ে তাঁর প্রতি বেশিঅনুগত; অথচ আমি সওম পালন করি, আবার তা থেকে বিরতও থাকি। সালাত আদায় করি এবং নিদ্রা যাই ও মেয়েদেরকে বিয়েও করি।  সুতরাং যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগ পোষণ করবে, তারা আমার দলভুক্ত নয়। সহিহ বুখারি : ৫০৬৩, সহিহ মুসলিম : ১৪০১

ইসলাম আমাদের ইবাদত ও জীবনের অন্যান্য দিকের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে উৎসাহিত করে। ইবাদত যেমন প্রয়োজন, তেমনি নিজের, পরিবারের ও সমাজের অধিকারও পূরণ করতে হবে। ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনই প্রকৃত মুমিনের লক্ষণ। এমনি ভাবে ইবাদতে যাদের এই ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন পাবেন তারাই হলো আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের অনুসারী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *